যৌনতায় যখন পরিচয়/১৬

যৌনতায় যখন পরিচয়/১৬

অবকাশে সঞ্জয়

 

–আচ্ছা কাম বিষয়ক গ্রন্থ কখনও শাস্ত্রগ্রন্থ হতে পারে?

— ঠিক জানি না গো। কিন্তু হঠাৎ এমন প্রশ্ন করছ কেন?

— না এমনি মনে হল। শাস্ত্র মানেই তো ধর্ম ধর্ম ব্যাপার।

— হুম। তা কাম কোন ধর্মীয় ব্যাপার নয় বলছ?

— কি যে বলো। কাম থেকে মুক্তির পথ খোঁজাই তো ধর্মের উদ্দেশ্য।

— তাই নাকি!

— হ্যাঁ। কোন সন্দেহ নেই।

— কিন্তু কাম যদি কারও ধর্ম হয়?

— দূর। তা কক্ষনো হয় না। হতে পারে না।

— তোমার মনে হয় না যে কাম জীবনের ধর্ম।

— কিভাবে?

— কিভাবে মানে! কাম যদি না থাকতো, তাহলে জীবন প্রবাহ থাকতো?

— না থাকতো না। তোমার কথা মেনে নিচ্ছি। তারপরেও বলছি, সেটা মানুষের জৈবিক ক্রিয়া। ধর্ম নয়।

— বেশ। তা ধর্ম বলতে তুমি কি বোঝ?

— কেন মুক্তির পথ খোঁজা।

— কিসের থেকে মুক্তি?

— মনুষ্যজীবন থেকে মুক্তি।

— কিন্তু মানুষ কি সত্যি তার মনুষ্য জীবন থেকে মুক্তি চায়?

— চায় না বলছ?

— না চায় না। মানুষ বাঁচতে ভালোবাসে। বেঁচে থাকার জন্য কত কষ্ট করে বলো তো।

— কিন্তু…

— কোন কিন্তু নেই এরমধ্যে। মানুষ ভালোবাসে আনন্দ। শান্তি।

— আর…

— আর সেই শান্তি ও আনন্দ যে যার মতো করে পথ হেঁটে খুঁজে পেতে চায়।

—  বেশ। ধর্মে আনন্দ ও শান্তি পাওয়া যায় তা না হয় বুঝলাম। কিন্তু কামে…

— কামও তো জীবনকে আনন্দদানের জন্য। আর সেই আনন্দ কত উপায়ে দেওয়া যায় তারই জন্য ঋষি বাৎসায়ন লিখেছেন নানা কামকলা যা জীবনের কাছে কামশাস্ত্র।

[ছবিঃ অরূপ দাস]


যৌনতায় যখন পরিচয়/১৫

যৌনতায় যখন পরিচয়/১৫

অবকাশে সঞ্জয়

 

–বেশ তুমিই বলো কি দেখে যৌন পরিচয় ঠিক করা উচিৎ?

–সত্যি কি দেখে করা উচিৎ বলো তো?

–কি আবার! যৌনাঙ্গ দেখে।

— ঠিক। কিন্তু শরীরের কোন্‌ যৌনাঙ্গ দেখে?

— কোন্‌ যৌনাঙ্গ মানে! শরীরে আবার কটা যৌনাঙ্গ থাকে?

— অনেক থাকে। আমার মতে তো প্রতিটা অঙ্গ যৌনাঙ্গ।

— কি যা তা বকছ!

— কেন, ভুল কি বললাম?

— শরীরের প্রতিটা অঙ্গ যৌনাঙ্গ হয় কখনও? যৌনাঙ্গ তো একটি।

— তুমি ভুল বলছ এবার। তুমি যাকে যৌনাঙ্গ বলছ সেটা প্রকৃত অর্থে জননাঙ্গ। তবে হ্যাঁ, জননাঙ্গও যৌনাঙ্গ।

— বুঝলাম। তা অন্য আর কোন অঙ্গকে তুমি যৌনাঙ্গ বলছ?

— কেন? শরীরের যেসব অঙ্গ যৌনক্রিয়ায় অংশ নেয়।

— মানে!

— মানে তো জলের মতো সোজা। যৌনাঙ্গ মানে কি? যৌনক্রিয়ায় অংশ নেয় এমন অঙ্গ। তা ঠোঁট,জিভ, স্তন, হাত এগুলি কি যৌনক্রিয়ায় অংশ নেয় না?

— তা নেয়। কিন্তু…

–কোন কিন্তু নেই। আসলে মানুষ জননক্রিয়া আর যৌনক্রিয়া কে গুলিয়ে ফেলে।

— হুম। তা ঠিক বলেছো। তা তোমার মতে কোন অঙ্গ দেখে যৌন পরিচয় ঠিক করা উচিৎ?

— কোন অঙ্গ দেখে নয়।

— তাহলে?

— যৌন পরিচয় যৌনক্রিয়া জেনে ঠিক করা উচিৎ। আর তা একমাত্র নিজস্ব ঘোষণা থেকে।

— অর্থাৎ…

— প্রতিটা মানুষ নিজস্ব যে যৌন পরিচয় দিতে ইচ্ছুক হবে তার যৌনপরিচয় সেটাই হবে।

[ছবিঃ অরূপ দাস]


যৌনতায় যখন পরিচয়/১৪

যৌনতায় যখন পরিচয়/১৪

অবকাশে সঞ্জয়

ক’দিন আগে একটি দৈনিক সংবাদপত্রে সংবাদটা বেরিয়েছিল। ছেলে সেজে দশ বছর পার আফগান কন্যার। এই ছিল সংবাদটির শিরোনাম। মূল ঘটনা হল আফগানিস্তানের এক বিশেষ প্রথা অনুসারে যেসব পরিবারে কোন ছেলে জন্মায় না, শুধু মেয়ে জন্মায় সেই পরিবার কোন এক মেয়েকে ছেলে সাজিয়ে মানুষ করে। এই প্রথা স্থানীয় ভাষায় বাচা পোশি নামে পরিচিত। সংবাদটির শেষে সাংবাদিক মেয়েটির লিঙ্গ পরিচয় জনিত সংকট সংক্রান্ত প্রশ্নও তুলেছেন এবং জনৈক অধ্যাপক ফেতরাত-কে কোড করে লিখেছেন, এই মেয়েরা বাধ্য মেয়েদের ভূমিকায়  মানিয়ে নিতে পারে না। অবসাদের শিকার হয়। যাইহোক নিউজটি পড়ে জানতে পারি নি যে পরিবারে জন্ম নেওয়া একাধিক মেয়েদের মধ্যে কোন্‌ মেয়েকে ছেলে সাজানো হয়। যে কোন মেয়েকে কি? নাকি যে মেয়েটি শৈশবে বেশ দূরন্ত অর্থাৎ ছেলেলি আচরণ করে তাকে? নিউজটি এও জানিয়েছে, মেয়েটি ছদ্মবেশে অর্থাৎ ছেলে সেজে ছেলেদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ছেলেদের মতো ইঁটভাটায় কাজ করে রোজ। কিন্তু অন্য ছেলেরা বুঝতেই পারে না যে সে ছেলে নয়, মেয়ে। যত খটকা এইখানে। যতই ছেলে সেজে থাক। অন্যরা বুঝতে পারবে না? তা কি সম্ভব? সম্ভব হতে পারে যদি ছেলেটি রূপান্তরকামী পুরুষ হয়। কে বলতে পারে, ‘বাচা পোশি’ প্রথা হয়তো এক ধরনের রূপান্তরকামী প্রথার স্বীকৃতি। নইলে ছেলেদের ভিড়ে কোন মেয়ে যতই পরিবারের চাপ থাক কাজ করতে পারতো না। যৌনতা যে বড় বালাই। এ কেবল পরিচিতির সংকট তৈরি করে না, অন্যদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতেও দরকার হয়।

[ছবিঃ অরূপ দাস]

 


যৌনতায় যখন পরিচয়/১৩

যৌনতায় যখন পরিচয়/১৩

অবকাশে সঞ্জয়

পরিচয়, পরিচয় আর পরিচয়। পরিচয়হীন হয়ে এ জীবনে বাঁচা যায় না। তাই তো আলাপের শুরুতেই আমরা একে অপরের পরিচয় জানতে চায়। যেমন একদিন জানতে চেয়েছিলেন গুরু দ্রোনাচার্য্য। গভীর জঙ্গলে এক অজ্ঞাতকুলশীল যুবককে দেখে শুধিয়েছিলেন কি তার পরিচয়। সেই যুবক নিজ নামটুকু বলতে পারলেও আর কোন সম্মানসূচক পরিচয় দিতে পারে নি। তবে হ্যাঁ, সে এটুকু বলেছিল যে, সে গুরু দ্রোনাচার্য্যের শিষ্য। সেই কথা শুনে গুরু দ্রোণ অবাক হয়ে বলেছিলেন, আমি তো তোমাকে অস্ত্রশিক্ষা দিই নি। তাহলে তুমি কেমন করে আমার শিষ্য হলে? এরপর সেই অজ্ঞাতকূলশীল যুবক অর্থাৎ একলব্য কি বলেছিল এবং তারপর গুরুদক্ষিনা হিসাবে গুরু দ্রোণ কি চেয়েছিলেন তা আমাদের সবার জানা। সেদিন একলব্য শুধুমাত্র  এক মহান  গুরুর শিষ্যত্বের পরিচয়টুকু পাওয়ার জন্য নিজ বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ অঞ্জলি দিয়েছিলেন।

সম্প্রতি একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে উঠে এল আবার সেই একলব্য প্রসঙ্গ। লোক আদালতে দুই রূপান্তরকামী নারীর বিচারক হওয়া প্রসঙ্গে দেশের প্রথম রূপান্তরিত নারী হিসাবে কলেজের প্রিন্সিপ্যাল হয়েছেন যিনি সেই মানবীদি বলেন, রূপান্তরকামীদের একলব্যের মতো নিজের যোগ্যতা দেখাতে হবে। সেদিন একলব্য নিজের যোগ্যতা দেখাতে গিয়ে গুরু দ্রোণের  নির্দেশে নিজ বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ কেটে গুরুদেবের চরণে অঞ্জলি দিয়েছিলেন। এই সমাজ বা রাষ্ট্রকে যদি গুরু দ্রোণ ব’লে ধরে নিই তাহলে সেই গুরু কি নিজের গুরুগিরি দেখিয়ে বলছেন, ওহে রূপান্তরকামী তুমি যদি নিজেকে রূপান্তরকামী নারী বলতে চাও তাহলে প্রথমেই নিজ লিঙ্গচ্ছেদ করে সমাজের চরণে তা অর্পন করো। জানি এটা ওনার ব্যক্তিগত মতামত। উনি এসআরএস নামক লিঙ্গান্তরকরণের সার্জারীর পক্ষে নিজ মতামত দিতেই পারেন। কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট যেখানে সেলফ আইডেনটিফিকেশানের কথা স্পষ্ট বলেছেন, সেখানে ‘একলব্য’-এর মতো নিজ যোগ্যতা দেখাতে হবে একথা বলা কেন? তবু তর্কের খাতিরে যদি ধরে নিই রূপান্তরকামীরা একলব্য হয়ে নিজ যোগ্যতার প্রমাণ দিলেন। কিন্তু তারপর? সমস্ত যশ খ্যাতি প্রতিপত্তি নিয়ে রাজাধিরাজ হয়ে রাজত্ব করবে অর্জুন। আর একলব্যরা চিরকাল হারিয়ে যাবে গহীন বনে? তাহলে কি লাভ একলব্য হয়ে? শুধুই পরিচয় প্রাপ্তি? রূপান্তরকামীরা নিজ পরিচয়সংকটে ভোগেন ঠিকই। কিন্তু সেই সংকট দূরীকরণের জন্য সমাজের কাছে এইভাবে একলব্য হতে হবে? জানি না। সত্যি জানি না। তবে এটুকু জানি, পরিচয়, পরিচয় আর পরিচয়। পরিচয়হীন হয়ে এ জীবনে বাঁচা যায় না। আর সেই পরিচয় যদি হয়, যৌন পরিচয় তখন এ সমাজ বোধহয় এভাবেই গুরুদক্ষিণা চায়!

[ছবিঃ অরূপ দাস]


সমর্পণ মাইতিকে ভোট দাও। এক বাঙালীকে মিঃ গে ওয়ার্ল্ড বানাও।

সমর্পণ মাইতিকে ভোট দাও। এক বাঙালীকে মিঃ গে ওয়ার্ল্ড বানাও।

প্রিয় বন্ধু সমর্পণ,

বিশ্বের দরবারে ভারতবর্ষের প্রতিনিধিত্ব করতে চলেছো তুমি, এ আমাদের সকলের জন্যে এক দারুণ ব্যাপার।
আশা করবো এই খেতাব তোমার সাথে সাথে আমাদের সকলের পুটুলিতে আসুক, আমরা বাঙ্গালী হিসেবে আরেকবার বলে উঠি, হ্যাঁ, আমরাই পারি।
কাঁচালঙ্কা যেহেতু বাংলা ভাষায় কাজ করে, আমাদের প্রচেষ্টা হবে, যাতে বাংলায় যতোটুকু সম্ভব তোমার পক্ষে দাঁড়ানো এবং বেশী বেশী ভোট সংগ্রহ করা। এর মাধ্যম হবে তোমার আমার ভাষা,… দেশ গণ্ডী নয়। চেষ্টা করছি কিছু সহজ সরল প্রশ্ন রাখার, আর তার উত্তর খোঁজার। একসাথে পথ চলার শুরু আগেই হয়েছে, কারন কোথাও আমরা সহযোদ্ধা তো বটেই, শুধু সেটুকু এগিয়ে নিয়ে চলা। এভং আরো এগিয়ে, আমরা বন্ধুও বটে। অতএব বন্ধুত্বের দাবীতে সরাসরি প্রশ্নবাণ নিক্ষেপ করা যাক এবার।
এভাবেই সহজ সরল কিছু প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলাম সমর্পণের উদ্দেশ্যে, তার উত্তরগুলিও একে একে পাঠিয়েছে ও। ওর উত্তরে ফুটে উঠেছে সারল্যের সাথে সাথে ভবিষ্যতে লিঙ্গ-যৌন-প্রান্তিক মানুষদের জন্যে কিছু করে যাওয়ার আত্মপ্রত্যয়। না সমর্পণ কোন নেতা নয়, ওর কোন ইস্তেহার ছাপা নেই। কারন ও যে আমাদেরই মতো সাধারণ। কিন্তু এই সাধারণ মানুষের মনে দানা বেঁধে আছে কিছু অসাধারণ স্বপ্ন। তাই আমাদেরও আর্তি সকল বন্ধুদের কাছে, সমর্পণের পাশে এসে দাঁড়াও, যাতে ও আরো বেশী করে আমাদের পাশে এসে দাঁড়াতে পারে।
বন্ধু, তোমার জন্যে রইলো অনেক শুভকামনা। আশা করি তোমার মাথাতেই জ্বলজ্বল করুক মিঃ গে ওয়ার্ল্ডের মুকুট। ভালো থেকো, সং-“গে” থেকো। 🙂


কাঁচালঙ্কাঃ হঠাৎ মিঃ গে ওয়ার্ল্ড কেন?
সমর্পণঃ এর মূলত দুটো কারণ। প্রথমত, ছোটবেলা থেকে নিজের সমকামী যৌনতাকে লুকিয়ে দাবীয়ে বড়ো হয়ে ওঠা। তারপর নিজেকে মেনে নিয়ে সবার সামনে আত্মপ্রকাশ। কিন্তু কোথাও এখনও মনে হয়, যাই না, গোটা দুনিয়াটার সামনে গিয়ে বলিনা, যে, হ্যাঁ আমি সমকামী, আমার এর জন্যে কোন ক্ষোভ নেই, কোন দুঃখ নেই। নিজের আপনস্বত্বাকে নিজেই তো দিনের পর দিন কষ্ট দিয়েছি। দেখি না, তাকে এভাবে সকলের সামনে নিয়ে আসতে পারলে যদি সেটুকু কোথাও একটু কম হয়। দ্বিতীয়ত, এই বিশ্বের খেতাবগুলোর জন্যে তো বরাবর মুখিয়ে থাকে পশ্চিমা দুনিয়ার মানুষেরা, তাদের বেশীরভাগ উচ্চবিত্ত। অন্যদিকে আমি মেদিনীপুরের নাম-না-জানা গ্রাম থেকে উঠে আসা এক মানুষ। জীবিকাসূত্রে গ্রাম, মফঃস্বল, শহরাঞ্চল ঘুরেছি। খুব কাছ থেকে দেখেছি মানুষের জীবনযাত্রা, আর জায়গাবিশেষে তার ভিন্নতা। গ্রামের এলজিবিটি+ অথবা লিঙ্গ-যৌন-প্রান্তিক মানুষ আর শহরের লিঙ্গ-যৌন-প্রান্তিক মানুষদের জীবনযাত্রা কিন্তু অনেকটাই আলাদা। অনেকেই আছে যারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া, তাদের নিয়ে কাজ করার কেউ নেই। আমি একবার বিশ্বের দরবারে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দাঁড়াতে চাই, চেঁচিয়ে বলতে চাই তাদের কথা। জানান দিতে চাই তাদের অস্তিত্ব। কারণ সবাই তো মানুষ, সবাইই যে গুরুত্বপূর্ণ। সবারই নিজের মানবাধিকার নিয়ে বাঁচার অধিকার আছে।

কাঁচালঙ্কাঃ এই খেতাব জিতলে কি করবে?
সমর্পণঃ এখানে একটা জিনিশ কিন্তু আগে ভেবে দেখার আছে। আমি এমন একটা দেশের বাশিন্দা, যেখানে এখনও ব্রিটিশদের ফেলে যাওয়া ৩৭৭ ধারার মতো মানবাধিকার-বিরোধী আইন আছে। আমার রাষ্ট্র আমায় বলে দেয় আমি কাকে ভালোবাসতে পারবো, আর কাকে পারবোনা। নিজের ভালোবাসাকে শরীরি প্রেমে নিজের ভালোবাসার মানুষটার কাছে প্রকাশ করলে, আমি হয়ে যাই আইনের চোখে একজন অপরাধী। এই ধারাকে পাল্টাতেই হবে। আমার মনে হয় একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে যদি আমি মিঃ গে ওয়ার্ল্ডের খেতাব পাই, তাহলে রাষ্ট্রের কাছে স্পষ্ট একটা ইঙ্গিত যাবেই। হয়তো এতে ভারত তথা বাকি যেসকল দেশ ৩৭৭ ধারার বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তাদের কিছুটা সুবিধে হলেও হতে পারে। আর যেমন আগেও বললাম, আমি মূলত গ্রামবাংলার আর কিছুটা মফঃস্বলেও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্যে কাজ করতে চাই। তুমি জানোনা ওখানের অবস্থা, শহরের অনেক এলজিবিটি নামকরা বাঘাবাঘা লোকেও হয়তো জানেনা। ওখানে মানুষ এখনও সমকামিতা কি তাই জানেনা। এটা যে একটা সেক্স্যুয়াল ওরিয়েন্টেশণ, বা যৌন-অভিমুখতা, সেটা নিয়ে তাদের কোন ধারণাই নেই। ওরা ভাবে এটা পাপ, ভাবে বিয়ে করলে বোধহয় সব ঠিক হয়ে যাবে। তাই তাদের নিয়ে কাজ করাটা সাংঘাতিক দরকার। এবার মুশকিল হচ্ছে, দুঃখজনকভাবে, নামের পাশে কোন তকমা সাঁটা না থাকলে কিছু করতে গেলেই হাজারো সমস্যা। একটা তকমা যদি থাকে, বিশেষত মিঃ গে ওয়ার্ল্ডের মতো কোন কিছু, তাহলে হয়তো আরো সহজে এই কাজগুলো করতে পারবো। লোকে শুনবে আমার কথা, ডাকলে অনেকে সাড়া দেবেন, পাশে এসে দাঁড়াবেন। বুঝতেই পারছো কাজটা অনেক বড়ো, আমার একার পক্ষে করা অসম্ভব।

কাঁচালঙ্কাঃ ভারতবর্ষ তথা বাকি দক্ষিণ এশিয় দেশগুলিতে, যেখানে ৩৭৭ এখনো বলবৎ, সেরকম জায়গা থেকে উঠে এসে মিঃ গে ওয়ার্ল্ডের খেতাবের জন্যে লড়াই!! ঠিক কিরকম ছিলো এই পথ চলা?
সমর্পণঃ লড়াই অনেকটাই ছিলো। আর এই সিদ্ধান্তটা নেওয়ার আগে ভাবতেও হয়েছিলো বেশ কিছুটা। দেখো, আমি সমকামী সেটা তোমরা আমার কিছু বন্ধুরা জানো, আর আমার পরিবার জানে, এটুকুই। তার বাইরে এসে গোটা বিশ্বের সামনে এসে এটা বলা, ভাবছিলাম, এর জন্যে ঠিক কি কি হতে পারে? আমার উপরে আঘাত আসলে শুধু একটা কথা ছিলো, একজন মানুষ হিসেবে নিজের অধিকার নিয়ে লড়াই করছি, করবো। কিন্তু আঘাতটা আমার বাড়ির লোকেদের উপরেও আসবে না তো? আমার মা, আমার বোন। কিন্তু ভাবলাম, নাহ! এগিয়ে তো আসতেই হবে। কাউকে না কাউকে। আজ যদি একজন গ্রাম্য মধ্যবিত্ত ঘর থেকে আমি বেড়িয়ে এসে এভাবে আত্মপ্রকাশ করতে পারি, হয়তো সেটা দেখে আরেকজন, তারপরে আরেকজন, এভাবেই সবাই ধীরে ধীরে তারা-যেটা-নয় সেই জীবনটা ছেড়ে নিজের আসল জীবনটাকে বাঁচতে পারবে। আর লড়াই তো সবাইকেই করতে হয়, তাই না? মেয়েরা আজ নিজেদের অধিকার নিয়ে লড়ছে, দলিতেরা নিজেদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার হয়েছে। এমনকি একজন যোগ্য মানুষ পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পাওয়ার জন্যেও তো সেই লড়াইটাই চালিয়ে যাচ্ছে। কি? তাই তো?

কাঁচালঙ্কাঃ তোমার বোনের বিয়েতে এলজিবিটি+ গোষ্ঠীর অনেকেই নিমন্ত্রিত ছিলো, কেমন ছিলো সেই অভিজ্ঞতা? বাড়িকে কি করে রাজি করালে?
সমর্পণঃ এতে ঠিক কোন সমস্যা হয়নি, কিন্তু একটা ভয় ছিলো। ভয়টা কিরকম জানো? মানে এই ধর, সমকামীরা দেখতে শুনতে আর পাঁচজন মানুষের মতো, তাদের দেখে অতোটা বোঝা যায়না, কিন্তু আমি আমার অনেক রুপান্তরকামী বন্ধুদেরও নিমন্ত্রণ করেছিলাম। ভয় ছিলো তারা যাতে কোনভাবে অপমানিত না হয়। এর জন্যে বাড়িতে বোঝালাম, ট্রান্সজেন্ডার কি, কেন তারা ট্রান্সজেন্ডার। তাদের যাতে কোনভাবে অসম্মান না করা হয় সেই অনুরোধ রাখলাম। মা-কে আর বোন-কে অনেক জ্ঞান দিলাম। ওমা! পরদিন দেখি, মা-ই আবার কাকিমা, মাসী এদের সাথে এই নিয়ে কথা বলছে। তাদের বলছে, দেখো ওরা আসবে, ওরা কিন্তু বাকিদের মতোই আমাদের অতিথি। ওদের কোন অসম্মান হলে কিন্তু আমাদের অসম্মান। তো যাই হোক। তারপরে আর কোন সমস্যা হয়নি। আমার ট্রান্সজেন্ডার বন্ধুরা এসেছে, থেকেছে, গায়ে হলুদ থেকে সব আচার অনুষ্ঠানে তারা ছিলো। মাকে সাজিয়ে দিয়েছে, বোনকে সাজিয়ে দিয়েছে। আর শুধু রুপান্তরকামী বন্ধুরাই কেন, অনেক এলজিবিটি বন্ধুরাই এসেছিলো। সবাই একসাথে আমরা খুব মজা করেছি বিয়ের দিনগুলো। আর আমার বাড়িতে এটা বিস্বাস করে যে আমি এমন কিছু কক্ষনো করবোনা, যাতে পরিবার বা সমাজের ক্ষতি হয়। তাই তাদের বোঝাতে আমার তেমন কোন সমস্যাই হয়নি।

কাঁচালঙ্কাঃ ক্যান্সার নামক মারণরোগ নিয়ে রিসার্চ করার প্রেরণা পেলে কোত্থেকে?
সমর্পণঃ আমার বাবা। আসলে ছোট থেকেই দেখেছি যখনই কেউ নোবেল পুরষ্কার পেতো বাপি আমায় দেখাতো, পেপার কাটিং করে রেখে দিতো। তাই এই রিসার্চের ব্যাপারে আগ্রহ বরাবরই ছিলো। ছোটবেলায় দুটো প্রিয় বিশয় ছিলো। বায়োলজি (জীববিদ্যা) আর অ্যাস্ট্রোনমি (জ্যোতির্বিদ্যা)। আর এটা দেখেছি জীবনে কোন না কোন ভাবে ঠিক যেটা করতে চেয়েছি, সেটাই করেছি। ইচ্ছা ছিলো রিসার্চ করবো আর ক্যানসার নিয়েই রিসার্চ করবো। আসলে আগেও মনে হতো, এখনও মনে হয়, একটা অসুখ, যাকে আমরা কেউ কাবু করতে পারছিনা। চোখের সামনে শিশুরা অবধি মারা যাচ্ছে। কিচ্ছু কি সত্যিই করার নেই? তাই হয়তো এই পথ বেঁছে নেওয়া। এটা ঠিক আমার প্রফেশান নয়, প্রফেশান হিসেবে আমি এটাকে দেখিওনা।

কাঁচালঙ্কাঃ দক্ষিণ এশিয়ার, বিশেষত ভারত এবং বাংলাদেশের এলজিবিটি+ মানুষদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কি তুমি আশাবাদী?
সমর্পণঃ হ্যাঁ, আমি বরাবরই খুব আশাবাদী মানুষ। তবে ভারত আর বাংলাদেশের পরিস্থিতি একটু আলাদা। বাংলাদেশে যেভাবে ধর্মীয় মৌলবাদ ঘাঁটি গেড়েছে, সেটা সাংঘাতিক। ভারতেও যদিও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে বেশকিছু ঘটনা বেশ খানিক চিন্তায় ফেলে, তবুও এখানে কিন্তু অনেকটাই পাল্টেছে সমাজ। গত ৫ বছরই ধরে নাও। চোখের সামনে অনেক কিছু পাল্টেছে। শশী থারুর ইত্যাদি রাজনৈতিক নেতারাও আমাদের হয়ে কথা বলছে। তাই আমি আশাবাদী যে এক/দু বছর না হলেও খুব জলদিই কিছু বড়সড় পরিবর্তন ভারতের নিরিখে আমরা দেখতে পারবো। উল্টোদিকে বাংলাদেশ নিয়ে আমার বেশ ভয় আর চিন্তাই হয়। ভাবোনা, এখানে আমি যদি বলি আমি গে, কি করবে? পেছনে লাগবে? টোন-টিটকিরি দেবে? খুন তো করবেনা? আমার বাংলাদেশের বন্ধুদের সাথে কথা বললে তো শিউরে উঠি। নিজেকে সমকামী জানান দিলে হয়তো কাল কেউ এসে কল্লা ফেলে দিয়ে গেলো। তবে ঐ যে বললাম, বরাবরই আমি খুব আশাবাদী মানুষ।

কাঁচালঙ্কাঃ গয়নাবড়ি, গান, লেখালেখি + বডি বিল্ডিং, খেলাধুলা, লড়াই — সব মিলিয়ে একজন মানুষ — নিজেকে ঠিক কিভাবে সংজ্ঞায়িত করবে?
সমর্পণঃ ধুশ! আমি ওভাবে ভাবিইনা। আসলে আমি শুধু নিজের মতো থাকতে চাই। ১০টা-৫টা চাকরী করবো, টাকা কামিয়ে জীবন সুরক্ষিত করবো, আসলে ওভাবে ভাবিইনি কখনো। যখন যা ইচ্ছে হয় করি। এইত্তো, লোকে পত্রিকার জন্যে লেখা চায় আমি দিতে পারিনা, লেখার ইচ্ছে না হলে কিকরে লিখবো বলো তো? গান শিখতাম ছোটবেলায়, ভালো লাগতো তাই। বডি বিল্ডিং , এটাও খেয়াল, দেখি কিরকম লাগে, সেখান থেকে শুরু। আসলে নিজেকে নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে বেশ মজা লাগে। কোন বাক্সে না থেকে। লেখক হলে এরকম হও, মডেল হলে এরকম, এভাবে ভাবিইনা কক্ষনো। নিজের মতো থাকি। কোন বাক্সে নয়। ব্যাস।

** সমস্ত ছবি সমর্পণের কাছ থেকেই পাওয়া, এবং ওর অনুমতি সহকারে প্রকাশিত।



এবার তাহলে সেই কথা, যার জন্যে এই পোস্ট। কি বন্ধুরা, মন চাইছে এই সমর্পণ নামের মানুষটাকে জেতাতে? মিঃ গে ওয়ার্ল্ডের খেতাব। তোমার আমার মতোই একজন মানুষ সমকামী বিশ্বসুন্দর প্রতিযোগিতায় প্রথম, একজন বাঙ্গালী। তাহলে কিন্তু একটু কষ্ট নিখরচায় আমাদের সবাইকেই করতে হবে। বিশেষ কিছু না, ভোট দিতে হবে। কি করে ভোট দেবে? খুব সহজ।

প্রথমে তো এই সাইটে গিয়ে রেজিস্টার করো নিজেকে, যেভাবে ফেসবুকে একাউন্ট খোলে ঠিক সেভাবে। এই লিঙ্কে ক্লিক করলেই পোঁছে যাবে সেই পাতায়। রেজিস্টার করো।

নিজের পছন্দশই নাম, ই-মেইল, আর পাসওয়ার্ড দিয়ে, নীল চাকার পাশে থাকা বাক্সে ক্লিক করো, আর সবশেষে নিচের রেজিস্টার (Register) লেখাটায়।

একটি মেইল আসবে তোমার দেওয়া মেইল আই-ডি তে।

সেখানে “click here to confirm your email adress” লেখাটায় ক্লিক করতে হবে। ব্যাস পৌঁছে যাবে ওদের ওয়েবসাইটে। এবারে “Vote” অপশানে ক্লিক করতে হবে। লালকালি দিয়ে দাগিয়ে দিলাম।

এবারে সমর্পণের ছবি খুঁজে তার নিচের হলুদ বাটনে ক্লিক করো। ব্যাস! হয়ে গেলো। সোজা।

আর হ্যাঁ প্রত্যেক ২৪ ঘন্টায় একবার ভোট দেওয়া যাবে। অতএব। সেক্ষেত্রে এই লিংকে (ক্লিক করো এখানে) গিয়ে নিচের মতো একটা পেজ আসবে।সেখানে লগ ইন করে (ফেসবুকে যেমন করো আর কি) আবারো ভোট দিতে পারবে ২৪ ঘন্টা পার হলেই।

তাহলে বন্ধুরা, ভোট দিতে থাকো, আর আমাদের বাঙ্গালী বন্ধুটিকে এবারের মিঃ গে ওয়ার্ল্ড বানাও।

বিঃ দ্রঃ mrgayworld ওয়েবসাইটের সমস্ত স্ক্রিনশটের স্বত্ব সাইটটিরই। কাঁচালঙ্কা কোনভাবেই এই স্বত্বে অধিকার দাবী করেনা।


যৌনতায় যখন পরিচয়/১২

যৌনতায় যখন পরিচয়/১২

অবকাশে সঞ্জয়

–       সেক্স কোথায় থাকে?

–       সত্যি কোথায় থাকে বলো তো?

–       তুমিই বলো।

–       না, তুমি বলো। প্রশ্নটা তুমি তুলেছো। তোমাকেই বলতেই হবে।

–       আমি তো বলবই। কিন্তু প্রশ্নটা যখন আমি তোয়াকে করেছি, তখন তোমার আগে উত্তর দেওয়া উচিৎ।

–       ধ্যাৎ, আমি জানি না।

–       জানি না আবার কি? তোমার যা মনে হয় তাই বলো।

–       আমার কিছু মনে হয় না।

–       বেশ আমি ক্লু দিচ্ছি। আমাদের সবার পরিচয়পত্রে তো সেক্স লেখা থাকে।

–       হ্যাঁ, তা থাকে।

–       তো সেটা কি দেখে লেখে?

–       কি আবার! সেক্সুয়াল অরগ্যান দেখে।

–       তাহলে এবার বলো সেক্স কোথায় থাকে?

–       তোমার কথা অনুসারে সেক্স সেক্সুয়াল অরগ্যানে থাকে।

–       এটা আমার কথা নয়, যারা সেক্স কলামে আমাদের সেক্স কি লেখে তারা বলে।

–       বেশ তা নয় বুঝলাম। এবার তোমার মত শুনি।

–       হুম আমার মত তো জানাবোই। তার আগে আর একটা জিনিস জিজ্ঞেস করি।

–       করে ফেলো।

–       তোমার যদি খুব মন খারাপ থাকে, তখন সেক্সুয়াল অরগ্যান কাজ করে?

–       ধ্যুৎ, এমন আজে বাজে ব্যাখ্যা দাও তুমি ভাল্লাগে না।

–       হোক আজেবাজে। তুমি উত্তরটা দাও।

–       মন খারাপ থাকলে শরীরের কোন অরগ্যানই কাজ করে না।

–       হ্যাঁ, তোমার এইকথাটা কিছুটা ঠিক। মন খারাপ থাকলে খিদে-ঘুম যদিও বা পায়, সেক্স একেবারেই কাজ করে না।

–       বেশ মেনে নিলাম।

–       তাহলে এবার বলো সেক্স কোথায় থাকে?

–       কোথায় আবার! তোমার যুক্তি মেনে নিলে বলতে হয় সেক্স মনে থাকে।

–       মেনে নিলে নয়, এটাই সত্যি। সেক্স মন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

 [ছবিঃ অরূপ দাস]

কালবৈশাখী (২য় বর্ষ) – সূচীপত্র

কালবৈশাখী (২য় বর্ষ) – সূচীপত্র

সূচনা

————— বিরতি —————

পর্ব ১

সেবারের পহেলাবৈশাখ!

(একটি স্মৃতিচারণ। লেখকঃ সামীউল হাসান সামী)

নির্ণয়

(তথ্যচিত্র / পরিচালকঃ পুষ্পা রাওয়াত / দৈর্ঘ্যঃ ৫৬ মিনিট / ভাষাঃ হিন্দি)

কারেজ আনফোল্ডস

(তথ্যচিত্র / পরিচালকঃ অজ্ঞাত / দৈর্ঘ্যঃ ৩২ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড / ভাষাঃ বাংলা)

————— বিরতি —————

পর্ব ২

মেঘের গল্প

(শর্টফিল্ম / পরিচালকঃ সৈকত দাস / দৈর্ঘ্যঃ ১৭ মিনিট ৫১ সেকেন্ড / ভাষাঃ বাংলা)

আনবর্ন
(শর্টফিল্ম / পরিচালকঃ তন্ময় গুপ্তা / দৈর্ঘ্যঃ ১৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড / ভাষাঃ হিন্দি)

দ্য গিফট
(শর্টফিল্ম / পরিচালকঃ কুশল পাঞ্জাবী এবং সুহাস শেঠী / দৈর্ঘ্যঃ ১৯ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড / ভাষাঃ হিন্দি)

একটি মিথ্যে গল্প
(শর্টফিল্ম / পরিচালকঃ শ্রুতি গুপ্তা / দৈর্ঘ্যঃ ১৩ মিনিট ২৬ সেকেন্ড / ভাষাঃ হিন্দি এবং বাংলা)

বেবি স্টেপ্স
(শর্টফিল্ম / পরিচালকঃ জয়িতা চ্যাটার্জী / দৈর্ঘ্যঃ ৯ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড / ভাষাঃ হিন্দি)

আইলাইনার
(শর্টফিল্ম / পরিচালকঃ দীপ ঘোষ / দৈর্ঘ্যঃ ২৪ মিনিট ১২ সেকেন্ড / ভাষাঃ বাংলা)

কোল্ড স্টার
(শর্টফিল্ম / পরিচালকঃ কাই স্ট্যানিক / দৈর্ঘ্যঃ ৭ মিনিট ৩ সেকেন্ড / ভাষাঃ নিরপেক্ষ)

দোস্তি (১৯৬৪) – এটাই কি ভারতের প্রথম “গে” ছবি?
(সিনে-আলোচনা / লেখকঃ অনিরুদ্ধ (অনির) সেন)

————— বিরতি —————

পর্ব ৩

তামারা
(অ্যানিমেশন / পরিচালকঃ জ্যাসন মারিনো এবং ক্রেইগ কিটজম্যান / দৈর্ঘ্যঃ ৪ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড / ভাষাঃ নিরপেক্ষ)

অ্যারাইভল
(অ্যানিমেশন / পরিচালকঃ অ্যালেক্স ম্যুং / দৈর্ঘ্যঃ ২২ মিনিট ৩১ সেকেন্ড / ভাষাঃ নিরপেক্ষ)

ড্যানি বয়
(অ্যানিমেশন / পরিচালকঃ মার্কা স্ক্রোবেকিয়েক্কো / দৈর্ঘ্যঃ ১০ মিনিট ১৮ সেকেন্ড / ভাষাঃ নিরপেক্ষ)

————— শেষ (আসছে বছর আবার হবে) —————

 

সমগ্র ভাবনা এবং পরিচালনায়ঃ

কাঁচালঙ্কা

https://www.qaanchalonka.com

https://www.facebook.com/Qaanchalonka

 

 

 

 

 


ড্যানি বয় (কালবৈশাখী ২য় বর্ষ – পর্ব ৩)

ড্যানি বয়

পরিচালকঃ মার্কা স্ক্রোবেকিয়েক্কো

দৈর্ঘ্যঃ ১০ মিনিট ১৮ সেকেন্ড

ভাষাঃ নিরপেক্ষ




তামারা (কালবৈশাখী ২য় বর্ষ – পর্ব ৩)

তামারা

পরিচালকঃ জ্যাসন মারিনো এবং ক্রেইগ কিটজম্যান

দৈর্ঘ্যঃ ৪ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড

ভাষাঃ নিরপেক্ষ